শনিবার । ৭ই মার্চ, ২০২৬ । ২২শে ফাল্গুন, ১৪৩২

মায়ের হত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় চার সন্তান

গেজেট প্রতিবেদন

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ায় মানববন্ধন করেছে নিহতের পরিবার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। এ সময় নিহতের চার সন্তান রাস্তায় দাঁড়িয়ে মায়ের হত্যার বিচারের দাবি জানায়। শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে পরিবার ও শিক্ষার্থীদের ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বক্তারা বলেন, কর্মস্থলে একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যা করা পুরো শিক্ষক সমাজের জন্য চরম উদ্বেগজনক। তারা এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদঘাটন, ঘাতক ফজলুসহ এ মামলার সব আসামীকে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান জানান তারা।

মানববন্ধনে নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান, তার তিন শিশু মেয়ে ও এক ছেলেসহ পরিবারের সদস্য ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসময় এক হৃদয় বিধায়ক দৃশ্যের অবতীর্ণ হয়।

নিহতের স্বামী ইমতিয়াজ সুলতান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মত একটা জায়গায় শিক্ষকরা নিরাপদ না। কিভাবে একটি বিভাগের সভাপতিকে তার রুমের মধ্যেই হত্যা করা হয়। এটা গভীর ষড়যন্ত্র। আমি মামলা করেছি। এই মামলার দ্রুত অগ্রগতি দেখতে চাই। আমার সন্তানরা এতিম হয়ে গেল। আমি এদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

নিহতের ৯ বছর বয়সী বড় মেয়ে ইফাত তাইয়্যেবা মানববন্ধনে বলেন, আজ কয়েকদিন হল আমাদের ঠিক মতো ঘুম আসে না। আমার ভাই-বোনেরা সবাই মাকে খুঁজে। আমরা এতিম হয়ে গেছি। আমাদের মাকে যারা হত্যা করেছে তাদের ফাঁসি চাই।

নিহতের ৭ বছর বয়সী মেজ মেয়ে জান্নাতুল বুশরা বলেন, আমার আম্মুকে যারা মেরেছে তাদের ফাঁসি চাই।

মানববন্ধনে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী, চার সন্তান, বাবা-মাসহ কয়েকশ মানুষ অংশগ্রহণ করে।

গত বুধবার বিকেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দপ্তরে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে ওই কক্ষ থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

খুলনা গেজেট/এএজে




আরও সংবাদ

খুলনা গেজেটের app পেতে ক্লিক করুন